মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
হাতী বান্ধা মাজার শরীফ সড়ক পথে যে কোন যানে রামনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যাওয়া যায়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাত্র ৩ কিঃ মিঃ দূরে অবস্থিত।
বামনীর বিল
আনন্দ নগর কিভাবে যাওয়া যায়: বগুড়া রংপুর মহাসড়ক হতে পীরগঞ্জ উপজেলার ভিতর দিয়ে মদনখালী ইউনিয়ন পরিষদের সামন দিয়ে সড়ক পথে বাস যোগে যাওয়ার সু-ব্যব্সথা রয়েছে
নীল দরিয়া ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন পীরগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান ধাপেরহাট। এই ধাপেরহাট থেকে ৬ কি:মি: পশ্চিমে চতরাহাট। চতরা হাট থেকে অর্ধ কি:মি: পশ্চিমে নীল দরিয়াতে রিক্সা, ভ্যান, ঘোড়ার গাড়ী কিংবা টেম্পোযোগে যাতায়াত করা যায়।
হাতিবান্ধা মসজিদ পীরগঞ্জের দক্ষিণে নামে রিক্সা,ভ্যান, মটরসাইকেল অথবা অটোরিক্সা যোগে যাতায়াত করা যায়
কাটাদুয়ার মাজার শরীফ পীরগঞ্জের চতরা থেকে প্রায় ১ কি: মি: দক্ষিণে ভ্যান, রিক্সা, মটরসাইকেল যোগে যাতায়াত করা যায়
রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৯নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের বিশ্বরোড সংলগ্ন ড. ওয়াজেদ মিয়ার তোরণ ড. ওয়াজেদ মিয়ার সমাধিস্থানঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর থেকে ০৪ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব কোনে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পার্শ্ববর্তীর্ গ্রাম ফতেপুরে অবস্থিত। এখানে প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনার স্বামী আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিঞার সমাধি রয়েছে। তাঁর জন্মস্থানও এই ফতেপুর মিঞা পরিবারে।
দরিয়ার দরগা বড় দরগাঃ পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর হতে ০৮ কিঃ মিঃ পূর্ব-উত্তরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন বড় দরগা অবস্থিত। এখানে হযরত শাহ্ ইসমাঈল গাজী (রহঃ) এর দীক্ষাদন্ড প্রোথিত আছে বলে জানা যায়। তবে কাঁটাদুয়ার মাজারে সমাহিত পীর, ও সেনাপতি হযরত শাহ্ ইসমাঈল গাজী (রহঃ) এবং বড় দরগায় তাঁর দীক্ষাদন্ডের বিষয়টি বিতর্কিত। এ ব্যাপারে আরো গবেষণার প্রয়োজন।
সাধক কবি হেয়াত মামুদ সাধক কবি হেয়াত মামুদ-এর মাজার শরীফঃ পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর হতে ১৬ কিঃ মিঃ উত্তর-পশ্চিমে ঝাড় বিশিলা গ্রাম অবস্থিত। এখানে মধ্যযুগীয় সাধক-কবি হেয়াত মাসুদ এর পবিত্র মাজার অবস্থিত। মাজার শরীফে একটি অলৌকিক কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ছহি নিয়তে উক্ত গাছের পাতা খেলে দূরারোগ্য ব্যাধি মুক্ত হয় বলে সকল ধরণের মানুষের বিশ্বাস। মাজার শরীফের অদুরে একটি মাদ্রাসা ও মসজিদ রয়েছে।
১০ রায়পুর জমিদার বাড়ী রায়পুর জমিদার বাড়ীঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর থেকে ০৬ কিঃ মিঃ পশ্চিমে রায়পুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানে জমিদার শ্রী শ্রী সূর্য কুমার রায়, শ্রী শ্রী বীরেন্দ্রনাথ রায় ও প্রতাবশালী জমিদার শ্রী শ্রী মুরলী সিংহ রায় ভ্রাতা ত্রয়ের প্রাসাদ এবং মন্দির সহ বিভিন্ন স্মৃতি বিজড়িত স্থান সমূহের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।
১১ কবিলপুর জমিদারের কাঁচা কবিলপুর জমিদারের কাঁচারীঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর থেকে ১২ কিঃ মিঃ দক্ষিণে কাবিলপুরে অবস্থিত। এখানে জমিদার শ্রী শ্রী সৌরেন্দ্র গুহ রায় এর তৎকালীন কাঁচারী, মন্দির ও পাঠা বলির বেদীর ধ্বংসাবশেষ দৃষ্ট হয়। উল্লেখিত স্থানে প্রয়াত কমরেড মণিকৃষ্ণ সেনের বদান্যতায় প্রমোদা সুন্দরী কল্যাণ ট্রাস্ট এবং মণিকৃষ্ণসেন ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
১২ জেলা পরিষদ ডাক বাংলা, পীরগঞ্জ,রংপুর। রংপুর ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন বাস ষ্টানে নামে পশ্চিম পার্শ্বে
১৩ খালাশপীর মসজিদ খালাশপীর মসজিদঃ উল্লেখিত মসজিদটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর থেকে ১১ কিঃ মি পশ্চিমে ৫নং মদনখালি ইউনিয়নের খালাশপীর হাটে ঠাকুর দাস লক্ষ্মিপুর মৌজায় অবস্থিত। মসজিদটি তিনটি গম্বণৎ বিশিষ্ট। উহার দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট প্রস্থ ২০ ফুট। ৫০ ইঞ্চি পুরো গাথুনী এবং ইরাণী নক্শা খঁচিত ছিল। বর্তমানে উহা সংষ্কার করা হয়েছে। ইহার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এরুপ যে, ১৪২৪-১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ অঞ্চলে ঠাকুর বংশের লোকজন রাজত্ব করতেন। তাদের অনুমতি ছাড়া কেহ কোন প্রকার উন্নয়ন মূলক কাজ করতে পারতো না। পারতো না বিয়ে-সাদী বা কোন আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে। সে সময় এ এলাকায় আগত ইসলাম ধর্ম প্রচারক পীর-দরবেশগণ এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতঃ লোকজনকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন। দলে দলে লোক মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করতঃ ঠাকুর পরিবারের অত্যাচার থেকে খালাশ প্রাপ্ত হন। সেই থেকে এ স্থানের নামকরণ করা হয় খালাশপীর। ১৫২০-১৫৭০ খ্রিস্টাব্দ পীরগঞ্জে ইসলাম প্রচারের জন্য একটি প্রচারক দল আসেন। তাঁরা প্রথমতঃ মঞ্জিলার দরগায় একটি নমুনা মসজিদ তৈরী করেন। খালাশপীর, বোয়ালমারি, কুমেদপুর, হাতিবান্ধা, মাদারঞ্জ, বড় ফলিয়া মসজিদ গুলো তাদেরই নির্মিত বলে জানা যায়। ১৫৪০-১৫৫০ খিস্টাব্দে সুলতান নাসির উদ্দিন নুশরত শাহের লা- খেরাজ সম্পত্তির রাজস্ব অনুদানে উল্লেখিত পীর সাহেবগণ উক্ত মসজিদ গুলো তৈরি করেন। পরবর্তীতে সম্রাট শেরশাহ্ ভারত উপমহাদেশে ইসলাম ধর্ম প্রচার কার্যে পীর সাহেবদের সহযোগিতা করেন বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
১৪ ড. ওয়াজেদ মিয়া সেতু রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলাধীন টুকুরিয়া ইউনিয়নে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া সেতু বাস স্থাপিত। ইহা পীরগঞ্জ উপজেলার সদর থেকে ১৯ কিলোমিটারে পশ্চিমে অবস্থিত। এখানে বাস টেম্পু, মটরসাইকেল, রিক্সা, ভ্যান প্রভৃতি যানবাহনের মাধ্যমে উপজেলা সদর খেকে খালাশপীর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার সংগে যোগাযোগ করা যায়।
১৫ জয় সুদনের সুদর্শন বাস ভবন রংপুর ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন লালদিঘী নেমে রিক্সা ভ্যান, মটরসাইকেল বাইসেইকেল বা পায়ে হেটেও ফতেপুর গ্রামে জয় সুদনের সুদর্শনীয় ভবনে যাওয়া যায়।
১৬  মেরিন একাডেমীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়আলমপুর ও ৮নং রায়পুর ইউনিয়নের পত্নীচড়া ও রায়পুর ভূমি অফিসের অধীন পাটগ্রাম ও শিবপুর মৌজায় বাসত্মবায়নাধীন রংপুর মেরিন একাডেমী নির্মাণ কাজ শীঘ্রই সম্পন্ন হবে। প্রতিষ্ঠানটি পীরগঞ্জ সদর থেকে ৪.০০ কিঃ মিঃ দূরে পীরগঞ্জ-দিনাজপুর সড়কের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত। ১০ একর ভূমির উপর অবস্থিত মেরিন একাডেমীর প্রশাসনিক অনুমোদনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে ও ৩ (তিন) ধারার নোটিশ জারী করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর,রংপুর মেরিন একাডেমীর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করবে।
১৭ মাগুড়া কয়লা খনি মাগুড়া কয়লা খনিঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা হতে পশ্চিমে ১৩ কিঃ মিঃ দুরে মাগুরা গ্রামে অবস্থিত। এখানে এশিয়া মহাদেশের মধ্য বৃহত্তর কয়লার খনি রয়েছে। ইহা বর্তমানে উত্তোলন প্রক্রিয়াধীন।
১৮ লোরা রাজার পাট লোরা রাজার পাটঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জ থানা/ উপজেলা সদর থেকে ০৫ কিঃ মিঃ পশ্চিমে পাট গ্রাম নামক স্থানে অবস্থিত। এখানে ভব চন্দ্র রাজার আত্মীয় লোরা রাজার রাজ-প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। (স্মৃতি অবলুপ্ত) ললিতা হারের পুকুরঃ উল্লেখিত স্থানটি লোরা রাজ-প্রাসাদ থেকে ০১ কিঃ মিঃ পশ্চিমে ফতেপুর ফকিরা গ্রামে অবস্থিত। এখানে লোরা রাণী ললিতা হারের স্নানের নিমিত্তে একটি পুকুর রয়েছে। পালো গড়ঃ উল্লেখিত স্থানটি পীরগঞ্জের প্রাচীন পরগণা বাগদুয়ারে বাগদেবীর মন্দিরের সন্নিকটে। এখানে পাল বংশীয় জনৈক রাজার প্রাসাদ, মানিকের ধাপ, টিকর ও গড় সমূহের ধ্বংসাবশেষ দৃষ্ট হয়। এ স্থানটিকে বলা হয় পালো গড়। বর্তমান নাম দানেশ নগর। (স্মৃতি অবলুপ্ত)
১৯ ফতেপুর কমিউনিটি ক্লিনিক রংপুর ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন লালদিঘীতে নেমে রিক্সা, ভ্যান, মটরসাইকেলযোগে অথবা পায়ে হেটে ফতেপুর গ্রামে ড: এম এ ওয়াজেদ মিয়া ক্লিনিকএ যাওয়া যায়।
২০ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপেস্নক্স ভবনের ভিত্তি প্রস্ত্তর স্থাপন সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপেস্নক্স চত্ত্বরে ৩৬ শতাংশ জমির উপর পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপেস্নক্স ভবন নির্মাণ কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। ভবনটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪,০৭,৯০,২০১.০০ (চার কোটি সাত লক্ষ নববই হাজার দুই শত এক টাকা)। নির্মান কাজ বাসত্মবায়নে রয়েছে এলজিইডি ও উপজেলা পরিষদ,পীরগঞ্জ,রংপুর